অনলাইন ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, তৈরি পোশাক শিল্পের পর সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত হতে পারে। এ খাতের বিকাশে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি ও প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার কাজ শুরু করেছে।
রাজধানীর নভোথিয়েটারে অনুষ্ঠিত ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), রোবটিক্স, ডেটা সেন্টার, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, চিকিৎসা প্রযুক্তি, মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে স্যাটেলাইট—সব ক্ষেত্রেই সেমিকন্ডাক্টর অপরিহার্য। তিনি জানান, ২০২৬ সালের মধ্যে বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর বাজার প্রায় ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাবে এবং এই বাজারে বাংলাদেশের জন্য বড় সুযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, সরকার সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে জাতীয় অগ্রাধিকার খাত হিসেবে বিবেচনা করছে। এ খাতের উন্নয়নে সরকার, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, শিল্প উদ্যোক্তা এবং প্রবাসী বিশেষজ্ঞদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, চলতি বাজেটে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের কাঁচামালের ওপর সব ধরনের কর ও শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে। পাশাপাশি সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন সেবার রপ্তানিতে নগদ প্রণোদনা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য বছরে ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ অনুদান বরাদ্দও রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে শুল্কমুক্ত (বন্ডেড) সুবিধা, বিশেষায়িত অবকাঠামো এবং হাই-টেক পার্ক আধুনিকায়নের পাশাপাশি নতুন বায়োটেক পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এই সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন গবেষণা, অংশীদারিত্ব ও বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে। অনুষ্ঠানের শেষে তিনি সামিটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন এবং দেশি-বিদেশি প্রতিনিধিদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন।








































