৩৬ দিন পর বঙ্গোপসাগর থেকে উদ্ধার দুই শ্রীলঙ্কান জেলে, মহেশখালী থানা হেফাজতে

আবুল কাসেম, মহেশখালী (কক্সবাজার)

৩৬ দিন পর বঙ্গোপসাগর থেকে উদ্ধার দুই শ্রীলঙ্কান জেলে, মহেশখালী থানা হেফাজতে
আবুল কাসেম, মহেশখালী (কক্সবাজার)
বঙ্গোপসাগরে টানা ৩৬ দিন ভেসে থাকার পর দুই শ্রীলঙ্কান জেলেকে উদ্ধার করে মহেশখালী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া দুজন সম্পর্কে পিতা ও পুত্র। বর্তমানে তারা মহেশখালী থানা হেফাজতে রয়েছেন।


জানা গেছে, মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের ফিশিং বোটের মালিক জিয়াউর রহমানের মাছ ধরার ট্রলার সোনাদিয়া দ্বীপের পশ্চিমে গভীর সাগরে মাছ শিকারে গেলে একটি বিকল ড্যানিশ ফিশিং বোট দীর্ঘ সময় ধরে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পায়। কাছে গিয়ে দেখা যায়, বোটটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেছে এবং তাতে থাকা দুই শ্রীলঙ্কান জেলে অসহায় অবস্থায় সাহায্যের অপেক্ষায় রয়েছেন।
মানবিক বিবেচনায় জিয়াউর রহমানের ফিশিং বোটের মাঝি-মাল্লারা বিকল বোটটিকে নিজেদের ট্রলারের সঙ্গে বেঁধে উদ্ধার করেন। একই সঙ্গে পিতা-পুত্র দুই জেলেকেও নিরাপদে মহেশখালীতে নিয়ে আসেন।
উদ্ধার হওয়া জেলেদের ভাষ্যমতে, তারা প্রতিদিনের মতো সন্ধ্যা ৬টার দিকে মাছ ধরতে সাগরে যান। কিছু সময় পর তাদের ড্যানিশ বোটের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। এরপর তারা দীর্ঘদিন সাগরে ভাসতে থাকেন। একপর্যায়ে একটি বড় আকৃতির জাহাজ এসে তাদের মারধর করে এবং সঙ্গে থাকা মালামাল লুট করে চলে যায়। পরে মহেশখালীর জিয়াউর রহমানের ট্রলারের জেলেরা তাদের খাবার দেন এবং নিরাপদে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন।
তারা আরও জানান, মহেশখালীর মানুষের আন্তরিকতা ও সেবাযত্নে তারা কৃতজ্ঞ। উদ্ধারকারী জেলেরা তাদের খাবার, আশ্রয় ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিয়েছেন।
নৌকার লাইসেন্স ও উদ্ধার হওয়া জেলেদের ভাষার ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে, তারা শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ উপকূলীয় শহর দেবিনুয়ারা (Devinuwara) হাসপাতাল রোড এলাকার বাসিন্দা।
উদ্ধারের পর পিতা-পুত্র দুই জেলেকে কুতুবজোম ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া এলাকায় জিয়াউর রহমানের নিজ বাড়িতে অস্থায়ীভাবে আশ্রয় দেওয়া হয়। পরে বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হলে তাদের মহেশখালী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এদিকে উদ্ধার করা বিকল ড্যানিশ ফিশিং বোটটি জিয়াউর রহমানের ট্রলারের সঙ্গে বেঁধে মহেশখালীর তাজিয়াকাটা ঘাটে রাখা হয়েছে।
মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুস সোলতান বলেন, “বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে একটি শ্রীলঙ্কান মাছ ধরার নৌকা দীর্ঘ সময় সাগরে ভাসমান ছিল। বিষয়টি জানার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে নৌকাসহ দুই শ্রীলঙ্কান জেলেকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের পরিচয় যাচাইয়ের কার্যক্রম চলছে। প্রচলিত আইন, প্রশাসনিক বিধি-বিধান এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”আবুল কাসেম, মহেশখালী (কক্সবাজার)
বঙ্গোপসাগরে টানা ৩৬ দিন ভেসে থাকার পর দুই শ্রীলঙ্কান জেলেকে উদ্ধার করে মহেশখালী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া দুজন সম্পর্কে পিতা ও পুত্র। বর্তমানে তারা মহেশখালী থানা হেফাজতে রয়েছেন।
জানা গেছে, মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের ফিশিং বোটের মালিক জিয়াউর রহমানের মাছ ধরার ট্রলার সোনাদিয়া দ্বীপের পশ্চিমে গভীর সাগরে মাছ শিকারে গেলে একটি বিকল ড্যানিশ ফিশিং বোট দীর্ঘ সময় ধরে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পায়। কাছে গিয়ে দেখা যায়, বোটটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেছে এবং তাতে থাকা দুই শ্রীলঙ্কান জেলে অসহায় অবস্থায় সাহায্যের অপেক্ষায় রয়েছেন।
মানবিক বিবেচনায় জিয়াউর রহমানের ফিশিং বোটের মাঝি-মাল্লারা বিকল বোটটিকে নিজেদের ট্রলারের সঙ্গে বেঁধে উদ্ধার করেন। একই সঙ্গে পিতা-পুত্র দুই জেলেকেও নিরাপদে মহেশখালীতে নিয়ে আসেন।
উদ্ধার হওয়া জেলেদের ভাষ্যমতে, তারা প্রতিদিনের মতো সন্ধ্যা ৬টার দিকে মাছ ধরতে সাগরে যান। কিছু সময় পর তাদের ড্যানিশ বোটের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। এরপর তারা দীর্ঘদিন সাগরে ভাসতে থাকেন। একপর্যায়ে একটি বড় আকৃতির জাহাজ এসে তাদের মারধর করে এবং সঙ্গে থাকা মালামাল লুট করে চলে যায়। পরে মহেশখালীর জিয়াউর রহমানের ট্রলারের জেলেরা তাদের খাবার দেন এবং নিরাপদে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন।
তারা আরও জানান, মহেশখালীর মানুষের আন্তরিকতা ও সেবাযত্নে তারা কৃতজ্ঞ। উদ্ধারকারী জেলেরা তাদের খাবার, আশ্রয় ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিয়েছেন।
নৌকার লাইসেন্স ও উদ্ধার হওয়া জেলেদের ভাষার ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে, তারা শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ উপকূলীয় শহর দেবিনুয়ারা (Devinuwara) হাসপাতাল রোড এলাকার বাসিন্দা।
উদ্ধারের পর পিতা-পুত্র দুই জেলেকে কুতুবজোম ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া এলাকায় জিয়াউর রহমানের নিজ বাড়িতে অস্থায়ীভাবে আশ্রয় দেওয়া হয়। পরে বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হলে তাদের মহেশখালী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এদিকে উদ্ধার করা বিকল ড্যানিশ ফিশিং বোটটি জিয়াউর রহমানের ট্রলারের সঙ্গে বেঁধে মহেশখালীর তাজিয়াকাটা ঘাটে রাখা হয়েছে।
মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুস সোলতান বলেন, “বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে একটি শ্রীলঙ্কান মাছ ধরার নৌকা দীর্ঘ সময় সাগরে ভাসমান ছিল। বিষয়টি জানার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে নৌকাসহ দুই শ্রীলঙ্কান জেলেকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের পরিচয় যাচাইয়ের কার্যক্রম চলছে। প্রচলিত আইন, প্রশাসনিক বিধি-বিধান এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পূর্বের খবরপ্রযুক্তিনির্ভর ও আধুনিক সেনাবাহিনী গঠনে নতুন রূপরেখার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর