মহেশখালী প্রতিনিধি | ১২ নভেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মহেশখালী পৌরসভার উদ্যোগে তৃণমূল মহিলা কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১২ নভেম্বর) সকাল ১০টায় স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কক্সবাজার জেলার অন্যতম শীর্ষ নেতা ড. আযাদ।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. আযাদ বলেন, “ইসলাম নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় যুগ যুগ ধরে সবচেয়ে অগ্রগামী ভূমিকা রেখেছে। নারীকে সম্মান, মর্যাদা ও সুরক্ষা দিয়েছে ইসলাম। কিন্তু সেকুলার তথা জাতীয়বাদীদের হাতে ক্ষমতা থাকায় আজও বাংলাদেশে নারী অধিকার পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। আগামীতে জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে ইসলামী নীতির ভিত্তিতে নারীর প্রকৃত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “নারী সমাজের অগ্রগতি ছাড়া জাতীয় উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই নারীদের সচেতন, শিক্ষিত ও আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে হবে ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে।”
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার জেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দসহ মহেশখালী উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন পর্যায়ের নারী নেত্রীবৃন্দ। বক্তারা বলেন, সমাজে নারী যেন তাদের প্রাপ্য অধিকার পায় এবং ইসলাম প্রদত্ত মর্যাদা ফিরে পায়— এজন্য জামায়াতে ইসলামী সর্বদা সংগ্রাম করে যাচ্ছে।
মহেশখালীতে তৃণমূল মহিলা কর্মী সমাবেশে ড. আযাদ
“ইসলাম নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে অগ্রগামী” — ড. আযাদ
দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আহ্বান বক্তাদের
মহেশখালী প্রতিনিধি | ১২ নভেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মহেশখালী পৌরসভার উদ্যোগে তৃণমূল মহিলা কর্মী নির্বাচনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১২ নভেম্বর) সকাল ১০টায় স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে এ সমাবেশে মহেশখালী পৌরসভা ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের শতাধিক তৃণমূল মহিলা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা আমীর ড. আযাদ। সভাপতিত্ব করেন মহেশখালী পৌর জামায়াতের সভাপতি মোছাম্মৎ রওশন আরা, এবং পরিচালনা করেন পৌর মহিলা সেক্রেটারি সাইদা আক্তার।
—
ড. আযাদ বলেন:
> “ইসলাম নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে অগ্রগামী ভূমিকা রেখেছে যুগ যুগান্তরে। ইসলাম নারীদের শিক্ষা, সম্পত্তি, উত্তরাধিকার, ও সামাজিক নেতৃত্বের পূর্ণ অধিকার দিয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে সেকুলার ও জাতীয়বাদীদের হাতে ক্ষমতা থাকার কারণে এখনো বাংলাদেশে নারী অধিকার প্রকৃত অর্থে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে ইসলামভিত্তিক ন্যায় ও ইনসাফের সমাজ গঠনের মাধ্যমে নারীদের প্রকৃত মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “নারী সমাজই জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নির্মাতা। তাই ইসলামী সমাজ ব্যবস্থার পক্ষে দাঁড়িয়ে আপনাদের সবাইকে দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিতে হবে। এই ভোট শুধু একটি দলের পক্ষে নয়, এটি ন্যায়, ইনসাফ ও নৈতিকতার পক্ষে ভোট।”
—
অধ্যক্ষ আবু তাহের চৌধুরী বলেন:
> “বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারীদের সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। বর্তমান সমাজে নারী নির্যাতন, বঞ্চনা ও অনৈতিকতার মূল কারণ ইসলাম থেকে বিচ্যুতি। ইসলামী মূল্যবোধে ফিরে এলে নারীরা হবে নিরাপদ, সমাজ হবে কল্যাণমুখী।”
তিনি উপস্থিত কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “আগামী নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিন। জামায়াতের বিজয় মানেই ন্যায় ও ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠার বিজয়।”
—
সামসুল আলম বাহাদুর বলেন:
> “দেশে নৈতিক অবক্ষয়, দুর্নীতি ও অবিচারের যে ভয়াবহ চিত্র আমরা দেখি, তার অবসান ঘটাতে হলে ইসলামভিত্তিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠা ছাড়া বিকল্প নেই। জামায়াতে ইসলামী সেই পরিবর্তনের অগ্রদূত।”
তিনি বলেন, “মহিলা কর্মীরা সমাজে মূল্যবান ভূমিকা রাখছেন। আপনাদের দ্বারাই ইসলামী আন্দোলন ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবে। আসন্ন নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিন, ইসলামপন্থী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখুন।”
—
জাকের হোসাইন বলেন:
> “নারী সমাজের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো জাতীয় আন্দোলন সফল হয় না। তাই ইসলাম ও ন্যায়বিচারের পথে নারীদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। জামায়াতে ইসলামী নারীদের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
তিনি আরও বলেন, “দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিন, কারণ এই প্রতীকই ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক।”
—
কামরুল হাসান বলেন:
> “আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে নারী নিরাপদ থাকবে, পরিবার হবে শান্তির নীড়, সমাজ হবে নৈতিকতায় ভরপুর। এই লক্ষ্য পূরণে জামায়াতে ইসলামী নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।”
তিনি বলেন, “মহিলা সমাজ ইসলামী আন্দোলনের প্রাণ। আগামী নির্বাচনে আপনার একটি ভোটই হতে পারে পরিবর্তনের সূচনা। দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে সেই পরিবর্তনের অংশীদার হোন।”
—
আব্দুর রহিম বলেন:
> “ইসলাম নারীদের বন্দী করেনি; বরং তাদের মর্যাদা দিয়েছে সমাজের শ্রেষ্ঠ স্থানে। সেই মর্যাদা বাস্তবে ফিরিয়ে আনতে জামায়াতে ইসলামী কাজ করছে।”
তিনি বলেন, “মহিলারা যদি ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেন, তবে ইনসাফভিত্তিক শাসন প্রতিষ্ঠা হবে, সমাজে শান্তি ফিরে আসবে।”
—
সমাবেশে বক্তারা একযোগে তৃণমূল মহিলা কর্মীদের আহ্বান জানান—
“দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিন, ইসলাম ও ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখুন।”











































