Online desk __
দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের সংকট দূর করে একটি কার্যকর ও জনবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
শনিবার দুপুরে সাভারে বাংলাদেশ হেলথ ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নতুন ভবন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু রাজনৈতিক বক্তব্য কিংবা প্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্য খাতের সমস্যাগুলো সমাধান করতে চায় সরকার। স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি স্তরে যে সমস্যাগুলো দীর্ঘদিন ধরে জমে আছে, সেগুলো চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অবহেলা ও নানা সংকটের মধ্যে ছিল। এর ফলে সাধারণ মানুষও প্রত্যাশিত সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। পুঞ্জীভূত এসব সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সরকার কাজ করছে।
ড. এম এ মুহিত বলেন, বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ছয় মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার সদস্য ও সরকারি কর্মকর্তারা নিরলসভাবে কাজ করছেন। জনগণকে স্বস্তি দেওয়া এবং মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। এর মধ্যে স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য খাতে এবারের বাজেটে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য, বরাদ্দের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়াই এখন সরকারের অন্যতম প্রধান কাজ।
সরকারের কর্মপরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করছেন। তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী মন্ত্রী ও সরকারি কর্মকর্তারাও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করছেন।
রাজনীতিতে পরিবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার পুরোনো ধাঁচের রাজনীতি ও শুধু বক্তব্যনির্ভর কার্যক্রম থেকে বেরিয়ে এসে বাস্তব কাজের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। নতুন বন্দোবস্তের যে কথা বলা হচ্ছে, সরকারের কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়েই সেই নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছে।
পরিদর্শনকালে ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন বাবু, উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা ডা. ফজলে বারী, সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।






































