পরিপাকতন্ত্রের সুস্থতায় ঘরোয়া ৫টি সহজ বদল

হজমের সমস্যা, পেট খারাপ কিংবা পেটের অস্বস্তি—এসব যেন আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী। জীবনযাত্রায় সামান্য কিছু পরিবর্তন এনে পেটের এসব কষ্ট থেকে চিরতরে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। বিশেষজ্ঞদের মতে, দৈনন্দিন জীবনে সহজ পাঁচটি অভ্যাস রপ্ত করলেই পেট ও পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখা যায়।

১. মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ অতিরিক্ত স্ট্রেস বা মানসিক চাপ পরিপাকতন্ত্রের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত করে। এটি কারও ক্ষেত্রে পেট ফাঁপা, ব্যথা বা কোষ্ঠকাঠিন্য তৈরি করে, আবার কারও ক্ষেত্রে পাতলা পায়খানার কারণ হয়। তাই দুশ্চিন্তা বা মন খারাপের সময় খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। খাওয়ার সময় অপ্রয়োজনীয় কথা বলা বা তর্ক করা থেকেও দূরে থাকাই শ্রেয়।

২. ধূমপান ত্যাগ ধূমপান খাদ্যনালীর পেশী দুর্বল করে দেয়, ফলে পাকস্থলীর অ্যাসিড ওপরের দিকে উঠে এসে বুক জ্বালাপোড়া ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়ায়। এটি পাকস্থলীর আলসার এবং ক্যান্সারের ঝুঁকিও বৃদ্ধি করে। তাই পরিপাকতন্ত্র সুস্থ রাখতে ধূমপান বর্জন আবশ্যক।

৩. সুশৃঙ্খল খাদ্যাভ্যাস তাড়াহুড়ো করে বা অন্য কাজে মনোযোগ রেখে খাওয়া পেটের জন্য ক্ষতিকর। খাবার ধীরে সুস্থে চিবিয়ে খাওয়া উচিত। অতিরিক্ত খাওয়া (ওভারইটিং) এড়িয়ে সারাদিনে অল্প অল্প করে কয়েকবারে খাওয়া ভালো। এছাড়া, রাতের খাবার ঘুমানোর অন্তত দুই থেকে তিন ঘণ্টা আগে শেষ করা এবং দিনে অন্তত ৬-৮ গ্লাস পানি পান করা জরুরি।

৪. অতিরিক্ত ওজন ও মেদ কমানো পেটের অতিরিক্ত মেদ পাকস্থলীতে বাড়তি চাপ তৈরি করে, যা বুক জ্বালাপোড়ার অন্যতম প্রধান কারণ। উচ্চতা অনুযায়ী সঠিক ওজন (BMI) বজায় রাখলে পেটের এ ধরনের অস্বস্তি অনেকটাই কমে যায়।

৫. অ্যালকোহল বর্জন অতিরিক্ত মদপানে পাকস্থলীতে অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে গিয়ে হজমে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটে। বুক জ্বালাপোড়া ও গ্যাস্ট্রিকের জটিলতা এড়াতে মদপান কমানো বা পুরোপুরি পরিহার করা প্রয়োজন।

পূর্বের খবর‘ব্যক্তিগত আক্রমণ করলে চুমু দেব—এমন সুশীল আমি নই’: রাশেদ খান