জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহকে কেন্দ্র করে গায়ের রং ও শারীরিক গঠন নিয়ে অবমাননাকর স্লোগান ও পোস্টের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও ইসলামি নীতি অনুযায়ী, কোনো মানুষের গায়ের রং বা দৈহিক গঠন নিয়ে কটূক্তি করা সুস্পষ্টভাবে ইসলাম পরিপন্থী।
ইসলামী শরিয়াহর নির্দেশনা
-
উপহাস ও নাম বিকৃতির নিষেধাজ্ঞা: পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, ‘তোমরা একে অপরকে উপহাস করো না… এবং তোমরা একে অপরকে মন্দ উপনামে ডেকো না।’ (সূরা আল-হুজুরাত, ৪৯:১১)
-
বর্ণবাদের স্থান নেই: মহানবী (সা.) বিদায় হজের ভাষণে স্পষ্ট করেছেন যে, কোনো সাদার ওপর কালোর কিংবা কালোর ওপর সাদার কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই। মানুষের মর্যাদা কেবল তার তাকওয়া ও কর্মের ওপর নির্ভরশীল।
আলেমদের বক্তব্য
-
হেফাজতে ইসলাম: সংগঠনটির নায়েবে আমীর মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানী জানান, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও কারও গায়ের রং বা নাম বিকৃত করা রাসুলের (সা.) আদর্শ পরিপন্থী।
-
ইসলামী গবেষক: মুফতি রেজাউল করীম আবরার উল্লেখ করেন, কুরআন ও সুন্নাহর নির্দেশ সবার জন্য সমান। কওমি শিক্ষার্থীসহ যেকোনো নাগরিকের জন্যই নাম বিকৃতি বা বর্ণবাদী আচরণ নিষিদ্ধ।
রাজনৈতিক দ্বিমত প্রকাশের অধিকার থাকলেও ইসলামে গায়ের রং, শারীরিক বৈশিষ্ট্য বা ব্যক্তিত্বকে খাটো করে কটূক্তি করার কোনো সুযোগ নেই।













































