সরওয়ার কামাল মহেশখালী-২রা সেপ্টেম্বর
মহেশখালী-কক্সবাজার নৌরুটের গোরাকঘাটা জেটিঘাটে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে টাঙানো অতিরিক্ত টোলের অবৈধ মূল্যতালিকা সরিয়ে দিয়েছে মহেশখালী উপজেলা প্রশাসন। ২রা সেপ্টেম্বর সকালে মহেশখালী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবায়েত আহমেদ সরেজমিনে ঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।
বিআইডব্লিউটিএর অনুমোদিত নির্দেশনার ব্যত্যয় ঘটিয়ে ইজারাদারের টাঙানো বিতর্কিত নোটিশ তাৎক্ষণিক অপসারণের এই সাহসী পদক্ষেপে সাধারণ যাত্রীদের মাঝে ব্যাপক সন্তুষ্টি দেখা গেছে। মহেশখালী উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর বন্দর ও পরিবহন বিভাগ থেকে জারি করা পরিপত্র অনুযায়ী নদী বন্দরের আওতাধীন ঘাটগুলোতে সরকার নির্ধারিত নতুন ট্যারিফ তফসিল অনুসরণের কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়। বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক (বন্দর) স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে সাধারণ পারাপারের ক্ষেত্রে প্রবেশ ফি ভ্যাটসহ ৫ টাকা বহাল রাখার কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। অথচ গোরাকঘাটা জেটিঘাটের ইজারাদার সরকারি আদেশের অপব্যাখ্যা দিয়ে এবং মূল নির্দেশনার সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ মূল্যতালিকা টাঙিয়ে সাধারণ যাত্রীদের কাছ থেকেও অতিরিক্ত ফি আদায়ের পাঁয়তারা করছিল।
বিষয়টি নজরে আসার সাথে সাথেই সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবায়েত আহমেদের নেতৃত্বে সেখানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে সরকারি পরিপত্রের সাথে টাঙানো তালিকার চরম অসঙ্গতি ধরা পড়লে তিনি নিজ দায়িত্বে সেই অবৈধ তালিকা সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন এবং ইজারাদারকে কঠোরভাবে সতর্ক করেন।
অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবায়েত আহমেদ জানান, বিআইডব্লিউটিএর মূল নির্দেশনার সাথে গোরকঘাটা ঘাটে টাঙানো তালিকার কোনো মিল ছিল না। সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে নির্ধারিত হারের চেয়ে বেশি টাকা আদায়ের সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না। সরকারি অনুমোদিত ট্যারিফ অনুযায়ী লোকাল যাত্রীদের সুবিধার্থে ঘাট পরিচালনা করতে হবে এবং যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের এই তদারকি অব্যাহত থাকবে।













































