নিজস্ব প্রতিনিধ | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
কুতুবদিয়া-মহেশখালী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন,

“জামায়াতে ইসলামী সংখ্যালঘু ও সংখ্যাগুরু—এমন বিভাজনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। বাংলাদেশ সবার দেশ, সকলের দেশ। আমরা সুযোগ পেলে এমন বাংলাদেশ গড়ব যেখানে সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু শব্দটি থাকবে না। রাষ্ট্রের সব নাগরিক সমান অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবে।”
মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুতুবদিয়ার কৈয়ারবিলের মহাজনপাড়ায় নির্মাণাধীন সার্বজনীন হরি মন্দির ও পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে কুশল বিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। এসময় মন্দির কমিটির সভাপতি সুজিত দেবনাথসহ শতাধিক স্থানীয় হিন্দু ধর্মাবলম্বী উপস্থিত ছিলেন।
ড. আযাদ আরও বলেন, “পূজা মণ্ডপ ও মন্দিরের নিরাপত্তার জন্য অন্য কারো সহযোগিতা প্রয়োজন নেই। তারা আমাদের ভাই-বোন, আমাদেরই নাগরিক। তাদের মন্দির ও পূজা মণ্ডপ অক্ষত থাকবে—এ ব্যাপারে জামায়াত দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আপনারা জানেন, গত ৫৪ বছরে কারা বারবার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘরবাড়ি ও মন্দিরে হামলা চালিয়েছে। কিন্তু জামায়াতের নেতাকর্মীরা কখনও এমন কাজে জড়িত হয়নি। বরং ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে অমুসলিমদের জানমালের নিরাপত্তায় জামায়াতের কর্মীরা জীবন বাজি রেখে পাশে থেকেছে।”
এর আগে সকালে তিনি উত্তর ধূরুং ইউনিয়নের মিয়ারা কাটা এলাকায় ভাঙনকবলিত বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি বলেন, “কুতুবদিয়াবাসী নিরাপদে বাঁচতে চায়, টেকসই বেড়িবাঁধ চায়। প্রতিনিয়ত সাগর আমাদের ঘরবাড়ি ও সহায়-সম্পদ কেড়ে নিচ্ছে। প্রায় দুই লক্ষ মানুষের জানমাল রক্ষায় স্থায়ী ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ছাড়া বিকল্প নেই। অস্থায়ী বেড়িবাঁধে সমাধান হবে না।”
বেড়িবাঁধ পরিদর্শনে কক্সবাজার জেলা জামায়াতের সহকারী অধ্যাপক আবু তাহের চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুল আলম বাহাদুর, কুতুবদিয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর ও সাবেক চেয়ারম্যান আ. স. ম. শাহরিয়ার চৌধুরী, সেক্রেটারি মাওলানা নুরুল আমিনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।










































