নিহত ৪৭ জনের মধ্যে ১৬ জন প্রতিপক্ষের গুলিতে এবং চারজন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন।এদের প্রায় সবাই ভোটে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের সমর্থক-কর্মী।
মঙ্গলবার বেসরকারি সংস্থা মানবাধিকার সংস্কৃতি ফোরাম (এমএসএফ) নভেম্বর মাসের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে তাদের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহত এই ৪৭ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নরসিংদীতে নিহত হয়েছেন।জেলাটিতে ১১ জন নিহত হয়েছেন নির্বাচনী সহিংসতায়।
এমএসএফ’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুলতানা কামাল স্বাক্ষরিত প্রতিবেদনটি ১১টি জাতীয় গণমাধ্যম ও নিজস্ব তথ্যানুসন্ধান করে তৈরি করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নীলফামারীতে নির্বাচনপরবর্তী সময়ে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ছয়টি বাড়িতে হামলা ও লুটপাট হয়েছে।এই সময়ে ১৩৯ জন নারী ও ১৩৮ জন শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে।ইউপি নির্বাচনের প্রথম তিনটি ধাপে ভোটের আগে-পরে ও ভোটের দিন গোলযোগ ও সহিংসতার ঘটনা ঘটে।বেশকিছু নির্বাচনী এলাকায় আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে এবার।তৃতীয় ধাপে ভোট গ্রহণের দিন আগের ধাপের চেয়ে গোলযোগ-সহিংসতা ও প্রাণহানি তুলনামূলক কম হলেও লক্ষ্মীপুর, কুমিল্লা, নেত্রকোণা, সাতক্ষীরা, ফেনীসহ অনেক এলাকায় অনিয়ম, দখলসহ নানা অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ছাড়া নভেম্বর মাসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ‘কথিত ক্রসফায়ার’ বা ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নয়জন নিহত হয়েছেন বলেও এমএসএফ’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।











































