কফিল উদ্দিন আনু
উখিয়ার রেমিটেন্স যোদ্ধা কুয়েত প্রবাসী মিকু বড়ুয়ার বসত ভিটা ও দোকান ঘর জোর জবর দখলের
মিশনে নেমেছে এলাকার আলোচিত জবর দখলকারী ভূমিদস্যু রূপন বড়ুয়া গং। সম্প্রতি রূপন বড়ুয়ার নেতৃত্বে
রত্নাপালং ইউনিয়নের পূর্বরত্না এলাকায় কুয়েত প্রবাসী মিকু বড়ুয়ার বসত বাড়ীতে কয়েক দফা হামলার
চেষ্টাও চালিয়েছে। এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিক পুলিশের জরুরী সেবা ৯৯৯ এর হস্তক্ষেপে মিকু বড়ুয়ার পরিবার
সহ তার প্রায় অর্ধশত বছরের সহায় সম্বল রক্ষা পেয়েছে। তারপরও থেমে নেই পূর্বরত্নার সে আলোচিত
ভূমিদস্যু রূপন বড়ুয়া গংদের অব্যাহতি হুমকি ধমকি।
জানা যায়, রেমিটেন্স যোদ্ধা কুয়েত প্রবাসী মিকু বড়ুয়া তাহার পৈত্রিক জমিতে বসত ভিটা ও দোকান ঘর
করে শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করে আসছিল। ইতিমধ্যে ঐ এলাকার প্রভাবশালী ভূমিদস্যু, এলাকার সন্ত্রাসীদের
ইন্ধনদাতা দুলাল বড়ুয়ার ছেলে রূপন বড়ুয়ার লোলুপ দৃষ্টি পড়ে মিকু বড়ুয়ার পৈত্রিক সম্পত্তির উপর। যার
ধারাবাহিকতায় রূপন বড়ুয়া গংরা স্থানীয় কতিপয় জনপ্রতিনিধি ও অসাধু গুটিকয়েক প্রশাসনের লোকজনকে
ম্যানেজ করে ঐ সম্পত্তি দখলে নিতে দীর্ঘদিন ধরে বুচারাম বড়ুয়া মহাজনের পরিবারের উপর ধারাবাহিক
মামলা, হামলা সহ নানান ভাবে হয়রানী করে আসছিল। তার ধারাবাহিকতায় উক্ত রূপন বড়ুয়া গং
বর্তমানে বিভিন্ন এলাকা থেকে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী ম্যানেজ করে বুচারাম বড়ুয়া মহাজনের ঐ সম্পত্তি দখলে
নিতে বাড়ীর আশপাশ এলাকায় সন্ত্রাসী মহড়া চালিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে রেমিটেন্স যোদ্ধা কুয়েত প্রবাসী মিকু বড়ুয়ার স্ত্রী শিখা বড়ুয়া জানান, রূপন বড়ুয়া গং সন্ত্রাসীদের
ভয়ে আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় মধ্যে রয়েছি। আমার স্বামীর পৈত্রিক সম্পত্তি ও
আমাদের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের জরুরী সহযোগিতা কামনা করছি।
বিগত ২০১৯ সালে পূর্বরত্নায় লোমহর্ষক হত্যা কান্ডে বুচারাম বড়ুয়া মহাজনের বড় মেয়ে সহ তার পরিবারের
৪ জন নির্মম হত্যা কান্ডের শিকার হয়েছিল। এ হত্যাকান্ডের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের রূপন বড়ুয়ার
নেতৃত্বে স্বশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে উক্ত এলাকায় অন্য জনের সম্পত্তি জবর দখলের মহড়ায় আবারো নতুন
করে হত্যাকান্ডের সূত্রপাতের আশংকায় শংকিত বুচারাম বড়ুয়া মহাজন পরিবার ও এলাকাবাসী।
উল্লেখ থাকে যে, ইতিপূর্বেও একাধিক বার উক্ত রূপন বড়ুয়া গং ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী গুন্ডা বাহিনী নিয়ে মিকু
বড়ুয়ার পৈত্রিক বসত ভিটা ও দোকান ঘর জোর জবর দখলে এসে ব্যর্থ হয়ে মিকু বড়ুয়ার পরিবারের
লোকজনকে মারধর, ঘেরা বেড়া ও ঘরের মূল্যবান জিনিসপত্র ভাংচুর করে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেন। উক্ত
ঘটনায় রূপন বড়ুয়া গংদের বিরুদ্ধে জি/আর নং- ১৯৬/১৭, জি/আর নং- ১৯৩/১৮, জি.আর নং-
৫১৬/২১, সি.আর- ১১/২১, নন জিআর- ১৮/২১ বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন আছে। এ ব্যাপারে
এলাকার সচেতন মহল পূর্বরত্নায় অনাকাংখিত বড় ধরনের ঘটনার পূর্বেই প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা
করেছেন।
এদিকে অভিযুক্ত রূপন বড়ুয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি উক্ত ঘটনার সাথে কোন প্রকার সম্পৃক্ত নাই
বলে জানান।