সরওয়ার কামাল মহেশখালী ১৭ ডিসেম্বর
মহেশখালীর সোনাদিয়া চ্যানেলে টানা ১৪ দিন যাবৎ ৭-৮ টি ‘ফিশিং ট্রলার’ ও ট্রলারে নিয়োজিত জেলেদের আটকে রেখে জলদস্যুরা মুক্তিপণ দাবি করছে এবং ট্রলারে মওজুদ থাকা জাল, ইন্জিন, মাছ, তৈল সহ সবকিছু লুটপাট করার পর শ্রমিকদের মারধর করে ফিশিং বোটটি সাগরে ডুবিয়ে দিয়ে জলদস্যুরা চলে যাই।
১৬ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) কুতুবজোম ইউনিয়নস্হ খোন্দকারপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোজাম্মেল হক বহদ্দারের মালিকানাধীন ‘এফবি আবরান’ ফিশিং ট্রলারটি জলদস্যুরা আটক করে মাঝিমাল্লাদের ব্যাপক মারধরের পর ট্রলারের বরফ কলের পেটিতে আটকে রেখে ইঞ্জিন বিকল করে দিয়ে সাগরে ভাসিয়ে দিয়ে মাছ, জাল, তৈল লুট করে প্রায় অর্ধকোটি টাকার মত ক্ষয়ক্ষতি করেছে।
ফিশিং ট্রলারটি ৩ দিনধরে সাগরে ভাসমান ছিল পরবর্তী আরেকটি ফিশং ট্রলারের সহায়তায় উপকুলে ফিরে এনেছে।
ফিশিং ট্রলারের মাঝি সাদ্দাম হোসেন জানান, ৯ ডিসেম্বর ১৬ জন জেলে নিয়ে ‘এফবি আবরান’ নামক ফিশিং ট্রলারটি নিয়ে সাগরে মাছ আহরন করতে যাই। ফিশিং শেষে ১৬ ডিসেম্বর উপকুলে ফিরে আসাকালীন সময়ে জলদস্যুরা আহরিত মাছ সহ সবকিছু লুটকরে নিয়ে গেছে।
ভোক্তভোগী জেলেরা জানান, সাগরে ব্যাপক হারে জলদস্যুতা বেড়েছে প্রতিনিয়তই একাধিক ফিশিং ট্রলার জলদস্যুদের কবলে পড়ে সর্বস্ব হচ্ছে।
তারা আরো জানান, গত সপ্তাহে সাগরে মহেশখালীর অন্তত ১২/১৫ টি ফিশিং ট্রলার জলদস্যুদের কবলে পড়ে সর্বশান্ত হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে ফিশিং বোটের মালিক মোজাম্মেল হক বাদী হয়ে মহেশখালী থানায় মামলা দায়ের করেছে।
এ ব্যাপারে কোস্টগার্ডের ইনচার্জ জানান, আমাদের টহল অব্যাহত আছে, জলদস্যুদের কোনভাবেই ছাড় দেওয়া হবেনা।













































