নির্বাচনের প্রচারণা শুরুর দিনে হরতাল ডাকলো বিএনপি ও সমমনা দলগুলো

বাংলাদেশে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনরত বিএনপিসহ তাদের সমমনা দলগুলো আঠারই ডিসেম্বর সোমবার সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ওইদিনই আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে যেসব দল ও প্রার্থী অংশ নিচ্ছে তাদের প্রচারণা শুরুর কথা। নির্বাচনী কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয় সেজন্য নির্বাচন কমিশনের এক প্রস্তাবের আলোকে আঠারই ডিসেম্বর থেকেই সভা সমাবেশসহ যে কোন প্রকার রাজনৈতিক কর্মসূচির ওপর ইতোমধ্যেই নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। হরতালের কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, “নির্বাচন করার জন্য দেশটাকে মগের মুল্লুক বানিয়ে ফেলেছে তারা (সরকার)। সাতই জানুয়ারি রাষ্ট্রের প্রায় দু হাজার কোটি টাকার শ্রাদ্ধের আয়োজন করেছে সরকার”। তিনি বলেন, “হাস্যকর ভুয়া নির্বাচন বানচাল করবে ভোটাররা। সচেতন মানুষ কেউ ভোট কেন্দ্রে যাবেন না। ওদেরকেই ভোট কেন্দ্রে মাছি মারতে হবে”।

এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান আজ শনিবারই বলেছেন নির্বাচন বিরোধী কোন কর্মকাণ্ড করা যাবে না এবং নির্বাচনের বিরুদ্ধে কথা বলা ও প্রচার থেকে বিরত থাকতে হবে। “বিজয় দিবস আনন্দের দিন। নির্বাচনে বাধা, নির্বাচনের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলা, প্রচার করা- এগুলো থেকে তাদেরকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে,” তিনি বিজয় দিবসে বিরোধী দল বিএনপিকে র‍্যালী করতে অনুমতি দেয়ার প্রসঙ্গে এ মন্তব্য করেছেন। বিএনপি আজ ঢাকাসহ সারাদেশে বিজয় দিবস উপলক্ষে র‍্যালী বা শোভাযাত্রা করেছে। এর মাধ্যমে দলটি আটাশে অক্টোবরের মহাসমাবেশ পণ্ড হওয়ার পর প্রথমবারের মতো ঢাকার নয়াপল্টন এলাকায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমবেত হওয়ার সুযোগ পেলো।